লক্ষ্মীপুরে সেই ‘ বড় ভাইকে’ খুঁজছে পুলিশ

ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়দানকারী আরমান হোসেন নামে সেই ‘বড় ভাই’ সহ তার অনুসারীদের খুঁজতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।

নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে আরমান দলবদ্ধ হয়ে কারণে-অকারণে মানুষের ওপর হামলাসহ এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সবশেষ শরিফ উদ্দিন ও মো. মোহন নামে দুই সহোদরকে কুপিয়েছে আরমান ও তার অনুসারীরা।

এদিকে এসব অভিযোগে রোববার (৬ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজ্জামান আশরাফ নিজেই আরমানকে আটক করতে তার বাড়িতে যায়। এ সময় এসপির সাথে সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। পরে সন্দেহভাজন হাসান নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তবে আরমান পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

অভিযুক্ত আরমান সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিলেও তার কোনো পদ-পদবি নেই। তার একটি সক্রিয় বাহিনী রয়েছে বলে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, চরভূতা ও চরমনসা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আরমান একটি বাহিনী গঠন করে চাঁদাবাজি, হামলা-ভাঙচুর, মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবনসহ নানান অপকর্ম করে আসছে। কারণে-অকারণে মানুষকে মারধর করেছে। স্কুল-মাদ্রাসার ছাত্রীদের পথে পথে বিরক্ত করাসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা পুলিশ সুপারকে সরাসরি এসব অভিযোগ করেছেন।

লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজ্জামান আশরাফ বলেন, আরমান নিজেকে এলাকায় বড় ভাই পরিচয় দিয়ে একটি গ্যাং তৈরি করেছে বলে শুনেছি। সে চাচ্ছে এলাকায় একটি অরাজকতা সৃষ্টি করতে। সেটি কখনও হতে দেয়া হবে না। হাসান নামে ওই দলের একজনকে আটক করা হয়েছে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের শক্ত হাতে দমন করা হবে।




রিলিফের চাল পাচারের অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

 Md. Badiuzzaman (Tuhin), Noakhali Correspondent:

নোয়াখালীর হাতিয়ায় রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ করা চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতিয়া উপজেলার হরণী ইউনিয়নের জনতা বাজার ঘাট থেকে রোববার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ৪৫ বছরের জামাল উদ্দিন গাজী নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সদস্য। আগে তিনি জেলা কৃষক দলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন।

জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এ ঘটনা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘সেপ্টেম্বর মাসে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রিলিফের চাল ট্রলারে করে কালোবাজারে পাচারের জন্য সুবর্ণচরের জনতা বাজার ঘাটে নিয়ে আসা হয়। এরপর ওই চাল ট্রাকে উঠানোর সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে থানায় খবর দেয়।

‘তখন পুলিশ দুটি ট্রাকে ২১ টন চাল আটক করে। ওই সময় রিলিফের চাল কালো বাজারে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে বিএনপি নেতা গাজীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনে চরজব্বর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘গত তিন বছরে এই বিএনপি নেতা রোহিঙ্গা পাচার ও রিলিফের চাল কালোবাজারে বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গাজীর বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ৯টি মামলা আছে। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।




হামাগুড়ি দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে যান শারীরিক প্রতিবন্ধী আজহারুল

আব্দুর রহমান ঈশান, নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণার মদনে হামাগুড়ি দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যান শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী আজাহারুল

জন্ম থেকেই তার পা দুটো উল্টা, সরু ও বাঁকা। দুটি হাতও বাঁকা। এ দুই হাতের ওপর ভর করে হামাগুড়ি দিয়ে রবিবার (৬ নভেম্বর) মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী আজহারুল। তার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হার মেনেছে স্বপ্ন জয়ের অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে। আজহারুলের লক্ষ্য একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার ।

আজহারুল ইসলামের বাড়ি নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বনতিয়শ্রী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের দিনমজুর মনির উদ্দিন এর ছেলে। তিনি এ বছর বালালী বাঘমারা শাহজাহান মহাবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। এর আগে আজহারুল প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ ২.৮৩ পেয়ে কৃতকার্য হন। জেএসসিতে পান জিপিএ ২.৫৫ পয়েন্ট ও এসএসসি পরীক্ষায় তার জিপিএ ছিল ২.৮৯।

পারিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালালী বাঘমারা শাহজাহান কলেজের নিয়মিত ছাত্র আজহারুল ইসলাম। দুই হাতে ভর করে হামাগুড়ি দিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটারএর অধিক রাস্তা প্রতিদিনই অতিক্রম করতেন তিনি। এর আগেও তিনি একইভাবে বালালী বাঘমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসা যাওয়া করেছেন। রিকশা বা অটো দিয়ে যাতায়াত করলে প্রতিদিন খরচ হতো ৫০-৭০ টাকা। বাবা দিনমজুর, তাই গাড়ি ভাড়া দিতে না পারায় হামাগুড়ি দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করতেন তিনি।

শারীরিক প্রতিবন্ধী আজহারুল ইসলাম বলেন, আমার ইচ্ছা ভালো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। লেখাপড়া শেষ করে পরিবারের জন্য কিছু একটা করাই আমার লক্ষ্য।

মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের কেন্দ্র সচিব মো. শফিকুর রহমান জানান, হামাগুড়ি দিয়ে চলে আজহারুল আজ আমাদের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে এসেছে। সে অতিরিক্ত সময়ের জন্য একটি আবেদন করেছে। আমি আবেদনটি মঞ্জুর করেছি এবং তাকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সার্বিক তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছি।




দুই গ্রুপের পৃথক  কর্মসূচী, রামগঞ্জে বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ 

Abu Taher, Ramganj Correspondent:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নব গঠিত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে ৭নভেম্বর (সোমবার) সকালে পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলমগীর হোসেনের বাসভবনের সামনে উপজেলা বিএনপির একাংশ সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নাজিম উদ্দিন আহম্মদের সভাপতিত্বে রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতা এল রহমান, শাহবুদ্দিন তুর্কি, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক জাকির হোসেন মোল্লা, যুগ্ন-আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন বাচ্চু, সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাকিব হাসান, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক শাহিন আলম মুন্না, সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির সাদ্দাম,পৌর যুবদল নেতা সুমন চৌধুরী, শেখ পিন্টু, রাসেল ভূইয়া, উপজেলা ও পৌর বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এসময় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ বলেন,লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি কর্তৃক ঘোষিত নতুন আহবায়ক কমিটিতে ত্যাগী, পরিক্ষিত, হামলা-মামলার শিকার, বাড়ি-ঘর হারানো, ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ও বিভিন্ন ভাবে আহত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে, জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের বিপক্ষে অবস্থানকারী, আওয়ামীলীগের সাথে লিয়াজু করা ব্যক্তিবর্গ, অযোগ্য কর্মীদের নিয়ে এই কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। আমরা এই আহবায়ক কমিটি বাতিলের জন্য আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছি। যদি এই উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত না হয়, তবে আমরা গন অনশন গনপদত্যাগ করতে বাদ্য হবে বলে জানান তারা।

অপরদিকে একই সময় ৩কিলোমিটার অদুরে রামগঞ্জ পৌরসভার নন্দনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান বাহার ও পৌর বিএনপির আহবায়ক শেখ কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক তোফায়েল আহম্মেদ, যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মনোয়ার হোসেন,নজরুল ইসলাম পিন্টু, তাওহীদ হোসেন মারুফ ভুইয়া,আরঙ্গজেব বাবলু,জেলা যুব‌‌দল নেতা আবুল বাসার চতু,কবির হোসেন কানন,আব্দুস ছাত্তার মজুমদার,মিজান ভুইয়া,স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতা দুলাল হোসেন,এমরান হোসেন,খোরশেদ রাব্বানী প্রমুখ।




নরসিংদীতে কার্ভাডভ্যান ও মোটরসাইকেল সংর্ঘষে সাংবাদিক নিহত 

Md. Mobarak Hossain, Narsingdi Correspondent:

নরসিংদীর রায়পুরায় কার্ভাডভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংর্ঘষে ওমর ফারুক বিশাল (২৭) নামে এক সাংবাদিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ।

এসময় গুরুতর আহত হয়েছেন তার বন্ধু ইমাম হোসেন সজল। সোমবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় নরসিংদী জেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের মরজাল বাসস্ট্যান্ডে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ওমর ফারুক বিশাল নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার আমলাব ইউনিয়নের ধুকুন্দী গ্রামের নূরুল হক এর ছেলে। ভৈরব হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, সকালে বিশাল ও সজল মোটরসাইকেলে করে নরসিংদী যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। তারা মরজাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ভৈরব গামী একটি বেপরোয়া কার্ভাডভ্যানের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিশাল মারা যায়। আর সজল গুরুতর আহত হয়। তিনি আরো বলেন, কার্ভাডভ্যানের পেছনের চাকায় রক্তের ছাপ রয়েছে।

পেছনের চাকায় চাপা পড়েই বিশাল মারা গেছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। সাংবাদিক ওমর ফারুক বিশালের সবশেষ কর্মস্থল ছিল নিউজজি টোয়েন্টিফোর ডটকম। তার আগে তিনি বাংলা নিউজের বিনোদন বিভাগে কাজ করতেন। তিনি একাধারে গীতিকার, কবি ও লেখক ছিলেন।




এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে নেত্রকোণা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ

 আব্দুর রহমান ঈশান,নেত্রকোণা প্রতিনিধি : 

এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ করার জন্য এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে নেত্রকোণা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ। ৬ই নভেম্বর সকাল ৯ টা থেকে পরীক্ষার কেন্দ্রের সামনে যানযট নিরসন ও পরীক্ষার্থীদের পানি, কলম নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতারা। পরীক্ষা শুরুর পূর্বে জেলার প্রায় সকল কেন্দ্রে ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম এর আয়োজন করে জেলা ছাত্রলীগ ও নেত্রকোণা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ

পরীক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেতাদের ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- নেত্রকোণা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ এর সভাপতি পদপ্রার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক সৈয়দ আল রাকিব, বিদুর সাহা স্পর্শ, সানিমুল হক, জান্নাতুল হাসান, মেহেদী হাসান,হারুন,পিনিয়র,সামি সহ অন্যান্য নেতাকর্মী বৃন্দ।

পরীক্ষার আগে মুহুর্তে সড়কে যানযট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে তারা

এসময় সৈয়দ আল রাকিব বলেন,মানবিক নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের স্বপ্ন-দ্রষ্টা,

 বিপ্লবী সাধারণ-সম্পাদক সোবায়েল আহম্মেদ খান ভাইয়ের নির্দেশনায় ও অনুপ্রেরণায় বহুবছর ধরে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগ পরিবার পরীক্ষার্থীদের পাশে থেকে এক উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে পরীক্ষার্থীদের অভয় দেয়া সহ পড়াশোনায় উৎসাহী করে আসছে।




কোম্পানীগঞ্জে ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ

মোঃ বদিউজ্জামান ( তুহিন), নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় (৭০%) ভর্তুকি মূল্যে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ ৬ নভেম্বর দুপুরে উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেজবা উল আলম ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ বেলাল হোসেন আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ নুরুল আলম ভূঁইয়া উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ আকরাম উদ্দিন এবং দক্ষ কৃষকদের মাঝে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিতরণকৃত কম্বাইন হারভেস্টার কৃষক শেখ ফরিদের কাছে ৭০% ভর্তুকিতে ( ১৯ লাখ ৭৪ হাজার টাকা) মূল্যে বিতরণ করা হয়।




ইন্টারন্যশনাল বক্সিংএ হবিগঞ্জের দুই বাঘিনী কন্যা শেলী-রিমা’র জয়লাভ

জুয়েল রহমান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

 ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং প্রতিযোগীতায় হবিগঞ্জ জেলা থেকে ৪জন খেলুয়ার অংশ নিয়ে ১৭টি জেলার ২৮জন খেলুয়ারকে হারিয়ে হবিগঞ্জ জেলার দুই বাঘিনী কন্যা তানজিমা সুলতানা শেলী ও রিমা সরকারের জয়লাভ।

জানাযায়,গতকাল ৪নভেম্বর(শক্রুবার) বিকাল ৫টায় ঢাকার মোহাম্মদ আলী বক্সিং স্টেডিয়াম মাঠে ইন্টারন্যাশনাল পর্যায়ে’বিপিবিএস বাংলাদেশ বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ এর উদ্যেগে এক টুর্নামেন্টের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং সোসাইটি।

উক্ত টুর্নামেন্টে সারাদেশ থেকে ১৭টি জেলার ২৮জন বক্সার প্রতিযোগী অংশ গ্রহন করেন।

আর এই টুর্নামেন্টে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং বক্সিং একাডেমি থেকে ৪জন খেলুয়ার অংশ নেন এই প্রতিযোগীতায়।

এবং খেলোয়াড়দের নিয়ে ভোরে রওয়ানা দেন একাডেমির প্রতিষ্টাতা প্রশিক্ষক জুয়েল রহমান ও টিম ম্যানেজার সাহিবুর রহমান।

তারা দুপুর ১২টার দিকে গিয়ে ঢাকা পৌঁছেন।

এবং সকল কার্যক্রম শেষ করে খেলোয়াড়দের নিয়ে টুর্নামেন্ট মাঠে উপস্থিত হয়ে আলাদা আলাদা ভাবে ৪৮কেজি ও ৫১কেজি ওজনের খেলোয়াড়দেরকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়।

এবং বিকাল ৫টায় উক্ত খেলাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসাবে দায়িত্বরত(রেফারি) হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার লিপি সুলতানা মনি,ঢাকার এসএম মারুফ,সিলেটের মোঃআনুয়ার হুসেন ও তানভীর চৌধুরী।

খেলার এক পর্যায়ে রাত দশটার দিকে ৪৮কেজি ওজনের ফাইনালে অবস্থান করে হবিগঞ্জের তানজিমা সুলতানা শেলী ও কুষ্টিয়ার শিপা।

পড়ে ফাইনাল রাউন্ডে কুষ্টিয়ার শিপাকে হারিয়ে শেলী বিজয়ী হয়।

অপরদিকে ৫১কেজি ওজনের খেলায় ফাইনালে অবস্থান করে হবিগঞ্জের রিমা সরকার ও কিশোরগঞ্জ জেলার বিথী।

৫১কেজি ওজনের ফাইনালে বিথীকে হারিয়ে রিমা সরকার বিজয়ী হয়।

উক্ত খেলাটি ৪ রাউন্ড করে খেলে এবং সবাইকে হারিয়ে হবিগঞ্জের এই দুই বাঘিনী কন্যা তানজিমা সুলতানা শেলী ও রিমা সরকার জয়লাভ করেন।

পরে তাদের পুরস্কৃত করেন উক্ত খেলার কর্নধার বাংলাদেশ বক্সিং সোসাইটির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান মোঃ আসাদউজ্জামান।

বিজয়ী দুই বাঘিনী কন্যা হলো বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং ইউপির পূর্ব তোপখানা মহল্লার আব্দু শহীদ মিয়ার স্কুল পড়ুয়া কন্যা শেলী ও একই ইউনিয়নের বড়নগর মহল্লার রবীন্দ্র সরকারের স্কুল পড়ুয়া কন্যা রিমা সরকার।

৫নভেম্বর(শনিবার) বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকা ছেড়ে হবিগঞ্জ জেলার উদ্যেশে রওয়ানা দিয়ে বিকালে নিজ উপজেলায় এসে পৌঁছেন তারা।

জয়লাভ করে তারা বাড়িতে আসার সংবাদ শুনে পরিবারের সদস্যগন রিসিভ করার জন্য অপেক্ষায় থাকেন এবং তারা গাড়ি নামার পর পরই এক আনন্দের বন্যা বইতে দেখা যায়।

এসময় তাদের এমন সাফল্য উপস্থিত অনেকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য,বানিয়াচং উপজেলার বক্সিং একাডেমি থেকে চলতি বছরের মধ্যে এই পর্যন্ত চারটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে ২য় বারের মতো শেলীকে নিয়ে চারজন বিজয়ী হন।

১৩সেপ্টেম্বর বিজয়ী হয় আমির উদ্দিন শিমুল,২৯জুলাই আমীর উদ্দিন ও শেলী বিজয়ী হয়,৯সেপ্টেম্বর শেলী বিজয়ী হয়।

এব্যাপারে প্রতিষ্টাতা শিক্ষক জুয়েল রহমান জানান,তিনি দীর্ঘ ৫টি বছর ধরে এই একাডেমি প্রতিষ্টা করে নিজ শ্রম অর্থ খরচ করে তাদেরকে এই পর্যন্ত নিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেন।

এমনকি ভবিষ্যতে তিনি একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ওদেরকে অংশ গ্রহন করিয়ে বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনবেন।

টিম ম্যানেজার সাহিবুর রহমান জানান,যদি সরকারি ভাবে ও ক্রিড়া সংস্থা থেকে একটু সহযোগীতা করা হয় এই একাডেমিকে তাহলে একদিন সারাদেশবাসী তথা হবিগঞ্জ জেলাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করবেন এই একাডেমির ছাত্র ছাত্রীরা।

এছাড়াও বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা এই একাডেমিতে অংশ গ্রহন করে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড থেকে রক্ষা পেয়েছে বলেও জানান।

তাই সবার উদ্যেশে আরও বলেন সবাই যদি সচেতন হয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি এই একাডেমিতে নিজের ছেলে মেয়েদের ভর্তী করেন তাহলে তাদের সন্তানরা অপরাধ মূলক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকবে এবং নিজের শারিরীক সুস্থতার সহিত মন-মানসিকতা ভালো থাকবে।

এজন্য তিনি সবার প্রতি এই আহবান জানান।




নেত্রকোনায় এইচএসসি পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত ২৮৫ জন

নেত্রকোনায় জেলায় এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় প্রথমদিনে অনুপস্থিত ছিলো ২৮৫ জন শিক্ষার্থী।

১১০৯১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে জেলায় এবছর ২৯ টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারমধ্যে ২০টি ভেন্যু কেন্দ্রে এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১০৯৮০ জন। প্রথম দিনে পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলো ১৮৭ জন। আলীম ৩৩ জন ও কারিগরি ৬৫ জন।

জেলা প্রশাসনের শিক্ষা শাখা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে প্রথম দিনে কোথাও কোন বহিষ্কারের খবর পাওয়া যায়নি।

নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে জানা গেছে, নকলমুক্ত পরিছন্ন পরিবেশে পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হতে। কেন্দ্রটিতে ১২৪৩ জন মোট পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে বলেও জানান কলেজের প্রিন্সিপাল মো. সিরাজুল ইসলাম। তারমধ্যে প্রথম দিনে পরীক্ষার্থী ছিলো ১২০২ জন। এছাড়াও বাংলা প্রথম পত্র (আবশ্যিক) অনুপস্থিত ছিলো ১৬ জন।

এদিকে পরীক্ষা শুরুর পরপরই জেলা শহরের চারটি কেন্দ্রে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জনা খান মজলিশ প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ও কক্ষ পরিদর্শন করেন। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য সার্বিক তদারকি রয়েছে বলেও জানান তিনি।




Dengue test fee is Tk 100 in government, Tk 300 in private

সরকারি হাসপাতালে এখন থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য ১০০ টাকা এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৩০০ টাকা নেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রবিবার দুপুরে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সভাকক্ষে ‘কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে পর্যালোচনা’ শীর্ষক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, ডেঙ্গুরোগীর অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় সরকারি হাসপাতালে ১০০ টাকা ফি নেওয়ার বিষয়ে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৩০০ টাকা নিতে বলা হয়েছে। এটিই এখন থেকে বলবৎ থাকবে।