আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের আলোচনা সভা

ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেড (বিসিবিএল) আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৪–এর প্রতিপাদ্য ‘নারীর সম–অধিকার, সমসুযোগ এগিয়ে নিতে হোক বিনিয়োগ’–এর আলোকে আজ শনিবার এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

আলোচনায় মিতুলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মিতুলী মাহবুব, স্পর্শ ফাউন্ডেশনের সভাপতি নাজিয়া জাবীন, ব্রতী সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শারমীন মুর্শিদ, অভিনেত্রী ও মডেল তানভিন সুইটি, প্রথম আলোর হেড অব ক্রাইম রিপোর্টিং রোজিনা ইসলাম, আহসানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজির সহযোগী পরামর্শদাতা ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস এবং শেয়ারট্রিপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক অংশ নেন।

বিসিবিএল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সভায় সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি), দারিদ্র্য দূরীকরণ, লিঙ্গসমতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে নারীকেন্দ্রিক ইকোসিস্টেম তৈরি, প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতের সুপারিশ, নারীকেন্দ্রিক আর্থিক নীতি এবং ইকোসিস্টেমের চ্যালেঞ্জ–সর্ম্পকিত বিষয়গুলো উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে বিসিবিএলের সভাপতি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রাশেদ আকতার, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফকির পিন্টু, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক শারমিন আতিকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকার্স ক্লাবের নিজস্ব ব্যান্ড বিসিবিএল বিটসের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।




Spouse's name removed from e-passport, what other amendments came

ই-পাসপোর্টের ব্যক্তিগত তথ্য ও জরুরি যোগাযোগসংক্রান্ত পাতায় (পারসোনাল ডেটা অ্যান্ড ইমার্জেন্সি কনটাক্ট) তিনটি সংশোধন এনেছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ–সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে মহাপরিচালকের পক্ষে অফিস আদেশটিতে স্বাক্ষর করেছেন পাসপোর্ট শাখার সহকারী পরিচালক মো. সাদ্দাম হোসেন। তিনি ৫ মার্চ প্রথম আলোকে বলেন, এই সংশোধনী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়েছে।
দেখা নেওয়া যাক কী কী সংশোধনী এল—

 

১. স্বামী-স্ত্রীর নাম
ই-পাসপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্যের অংশটুকুতে পাসপোর্টধারীর নামের সঙ্গে উল্লেখ থাকে বাবার নাম, মায়ের নাম, স্বামী বা স্ত্রীর নাম (স্পাউসেস নেম) আর স্থায়ী ঠিকানা। এই অংশটিই সংশোধন করা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘স্পাউসেস নেম’ ঘরটি আর ই-পাসপোর্টে থাকছে না। বদলে সেখানে লেখা থাকবে ‘লিগ্যাল গার্ডিয়ান’। এটি প্রযোজ্য হবে শুধু দত্তক সন্তানের ক্ষেত্রে।
তবে ‘লিগ্যাল গার্ডিয়ান নেম’ অন্তর্ভুক্তকরণের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে আইনত অভিভাবকের অনাপত্তি সনদ আর তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি প্রমাণপত্র হিসেবে পাসপোর্টের আবেদনের সময় জমা দিতে হবে।

২. বিস্তারিত ঠিকানা
ব্যক্তিগত তথ্য ও জরুরি যোগাযোগসংক্রান্ত অংশ দুটিতে ‘অ্যাড্রেস’ বা ঠিকানার ঘর আছে। সেখানে পাসপোর্টধারীর স্থায়ী ঠিকানা যেমন উল্লেখ করতে হয়, তেমন জরুরি যোগাযোগের জন্য ব্যক্তি যাঁকে মনোনীত করেন, তারও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা দরকার হয়। এত দিন প্রত্যেকের ঠিকানা দুই লাইনে ৪৮ শব্দের মধ্যে লিখতে হতো। এতে অনেকের পুরো ঠিকানা সেখানে সংকুলান করা যেত না। তাই এখন থেকে তিন লাইনে বা ৯৬ শব্দে ঠিকানা উল্লেখ থাকবে।

৩. কিউআর কোড থাকছে না
ই-পাসপোর্টের প্রথম পাতায় জরুরি তথ্যের নিচে কিউআর কোড যুক্ত করা হয়েছিল। কিউআর কোডটি স্ক্যান করলে পাসপোর্টধারীর নাম ও যোগাযোগের নম্বর পাওয়া যেত। এখন থেকে ই-পাসপোর্টে আর কিউআর কোড থাকছে না।




আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশনের পদে বাংলাদেশের আইনজীবী সাকিব মাহবুব

বিশ্বের সর্ববৃহৎ আইনজীবী সমিতি আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশনে (আইবিএ) কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশি আইনজীবী মাহবুব অ্যান্ড কোম্পানির পার্টনার আইনজীবী সাকিব মাহবুব। তিনি এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ফোরামের প্রফেশনাল ওয়েলবিয়িং কমিশন লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে ২০২৪-২৫ মেয়াদে কাজ করবেন। ১ মার্চ আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশন এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ফোরামের ২০২৪-২৫ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন করে এবং ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি ঘোষণা করে। গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের বিশিষ্ট আইনবিদ কামাল হোসেন এর আগে আইবিএর গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। পথ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী পদে সাকিব মাহবুবের নিয়োগ একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিশিষ্ট আইনজীবীদের নেতৃত্বে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করছেন চীনের সাংহাইয়ের ‘জুনহে’ আইনি প্রতিষ্ঠানের পার্টনার ডেভিড লিউ এবং মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের ‘স্ক্রিন’ আইনি প্রতিষ্ঠানের পার্টনার প্রীথা শ্রীধরন পিল্লাই।

আন্তর্জাতিক একটি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা প্রসঙ্গে সাকিব মাহবুব বলেন, ‘আমি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। আইবিএর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এবং বিশেষ করে আইন পেশায় পেশাদার উন্নতির ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করব।’

আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু ১৯৪৭ সালে। আইবিএ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইন সংস্থা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ১৭০টির বেশি দেশের ১৯০টি বার অ্যাসোসিয়েশন এবং আইন সমিতি থেকে ৮০ হাজারের বেশি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক আইনজীবী এর সদস্য। এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ফোরাম আইবিএর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের এক্সিকিউটিভ কমিটি হিসেবে কাজ করে।




মাঙ্গার আন্তর্জাতিক জগতে বাংলাদেশের প্রথম প্রবেশ

‘মাঙ্গা’ নামে পরিচিত জাপানি কমিক বইয়ের সংস্কৃতি এখন বিশ্বজুড়ে তরুণ সমাজের মন কেড়ে নিচ্ছে। জাপানে অবশ্য মাঙ্গার রয়েছে সমৃদ্ধ এক ইতিহাস। এর সূচনা চিহ্নিত করা হয় দ্বাদশ শতাব্দীর মাঝমাঝি সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এমাকি স্ক্রল পেইন্টিং বা গুটিয়ে রাখা কাগজ অথবা কাপড়ে আঁকা ছবিতে। চোজু গিগা নামে পরিচিত সেই সময়ের একটি ছবিতে কয়েকটি জন্তুর আনন্দ-ফুর্তিতে জড়িত থাকার ছবিকে জাপানি গবেষকেরা প্রথম মাঙ্গা হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন। তবে সময়ের বিবর্তনে মাঙ্গা এর দীর্ঘ পথ পরিক্রমণে নানা পর্যায় পার হয়ে এখন সারা বিশ্বের তরুণদের মধ্যে আলোড়ন জাগানো এক গণসংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। মাঙ্গার হাত ধরে পরবর্তী সময়ে মঞ্চে আসা আনিমে কার্টুন, ছবি এবং মাঙ্গা কার্টুনের চরিত্রের আদলে পোশাক পরার সংস্কৃতি পূর্ব ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া ছাড়াও ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশেও তরুণদের টানছে।

মাঙ্গার এই আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে জাপানি সংস্কৃতির এই দিকটিকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক মাঙ্গা প্রতিযোগিতার সূচনা করে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবছর যে ঘোষণা প্রচার করে আসছে, সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দেশ ও প্রতিযোগী উভয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সম্প্রতি লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালের ১৭তম প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম মন্ত্রণালয় ডিসেম্বরের শেষ দিকে ঘোষণা করে। বিশ্বের ৮২টি দেশ ও ভূখণ্ড থেকে জমা দেওয়া ৫৮৭টি কাজের মধ্য থেকে বিচারকেরা ১৩টি কাজকে পুরস্কারের জন্য বেছে নেন। এবারের প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছেন তাইওয়ানের শিল্পী চিওন জেসনের মাঙ্গা ‘উইন্ড চেসার আন্ডার দ্য ব্লু স্কাই’। হংকং, ভিয়েতনাম ও স্পেনের তিনটি মাঙ্গা মনোনীত হয়েছে রৌপ্য পদকের জন্য এবং ৯টি মাঙ্গাকে দেওয়া হয়েছে ব্রোঞ্জ পদক। ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ীর তালিকায় এবার প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর আলোকপাত করা সেই মাঙ্গার রচয়িতা হচ্ছেন বাংলাদেশের এম ই চৌধুরী শামীম। তাঁর এই অর্জনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ এখন মাঙ্গার আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দেশের গর্বিত উপস্থিতির ঘোষণা দিল।

বিজয়ীদের মধ্যে থেকে স্বর্ণ ও রৌপ্যপদক জয়ী শিল্পী ও রচয়িতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে আজ জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিথি ভবন ইকুরা গেস্ট হাউসে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামিকাওয়া ইওকো। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তিনি। জাপানের এই আয়োজনের ওপর রাখা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন যে আগামী দিনে এই প্রতিযোগিতা আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের উপমিশন প্রধান ও মিনিস্টার শাহ আসিফ রহমান। প্রথমবারের মতো এ রকম একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া মাঙ্গার মধ্যে বাংলাদেশের উপস্থিতিতে তিনি গৌরব বোধ করেন। শাহ আসিফ রহমান বলেন যে ব্রোঞ্জপদক বিজয়ী হিসেবে বাংলাদেশি প্রতিযোগী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারলে দেশের জন্য সেটি হতে পারত আরও আনন্দের। তবে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যে এম ই চৌধুরী শামীমের এই অনন্য অর্জনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আগামী দিনে বাংলাদেশের আরও বেশি মাঙ্গা শিল্পী প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে আরও বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব হবে। অনুষ্ঠান কক্ষে প্রদর্শিত পুরস্কার বিজয়ী ১৭টি মাঙ্গার মধ্যে বাংলাদেশের মাঙ্গার স্থান করে নেওয়া তাঁকে আনন্দ দিয়েছে।

 




Demonstration demanding road reform

Residents of Hawaldarpara in Nilphamari's Saidpur municipality staged a protest and human chain demanding road repairs. The protest was held on Chalhati Road in the city on Monday afternoon. They demanded the removal of municipal councilor Kazi Monowar Hossain Haider and mayor Rafika Akter Jahan.
During the protest, residents of Ward No. 10 of the municipal city, Mohammad Rashed, Haji Taslim, Mainul Hasan, Rawnak Siddiqui, Khalid Khan, Fafsal Didar Dipu, Taslima Muskan, Arif Mustafa Mithu, Anwar Hossain, and others spoke.
The speakers said that although Syedpur is a first-class municipality, there has been no development in the area due to the inefficiency and corruption of the municipal councilor Kazi Monowar Hossain Haider. The roads and alleys of Ward No. 10, the heart of the city, have become unfit for movement. No initiative is being taken for renovation. The drainage system is also fragile. Water accumulates up to the knees in a light rain. The locals suffer extreme suffering due to the lack of drainage system. However, crores of taka are being collected from the citizens every year in the name of various services including municipal tax, trade license, design approval, birth-death and inheritance certificates. The mayor and councilors are embezzling the income money instead of using it for development work. Strict programs will be imposed if initiatives are not taken to repair the roads as soon as possible.
Regarding the complaint, Municipal Councilor Kazi Monowar Hossain Haider said that development work in the area could not be done due to lack of allocation from the municipality. If allocation is received, initiatives will be taken to construct roads and drains. He claimed that his opponent is conspiring by issuing this issue to reduce his popularity.
In this regard, Mayor Rafika Akhter Jahan said, "A project has already been sent to ECNEC for road renovation. Road renovation work will begin as soon as the budget is received. In addition, the work of drain renovation and construction is continuing. This problem will also be resolved in phases."




School-going children in fear of 'aunt'

Four girls from two government primary schools were abducted by kidnappers on the same day in Nasirnagar, Brahmanbaria. The incident took place on Sunday at Chatipara Government Primary School in Gokarna Union of the upazila and Kulikunda Uttar Government Primary School in Sadar. A burqa-clad woman, posing as an aunt, took them all out of the school. Later, she handed them over to gang members. However, a fourth-grade girl from Chatipara School bit one of the girls' hands and ran away and informed the people. Later, locals rescued the others. However, none of the kidnappers were arrested.
According to local sources, 12 students were abducted in different areas of the upazila from February 10 to March 3 (Sunday) in the same manner. Many of them were beaten and their gold ornaments were snatched away. Students have reduced their attendance at schools in the upazila due to the incident. Many of the children who were victims of the incident are panicking whenever they see someone wearing a burqa.
Jannat Akhter, mother of Nusrat Jahan Alifa, a second-grade student of Chatipara Government Primary School, told Samakal on Sunday night, "What happened to my daughter today is unforgettable. How can I send my daughter to school if this is the case? My daughter has fallen ill. She has not eaten or drunk anything all day. She cannot forget the matter in any way." She said that if the school authorities and the upazila administration cannot provide security to the children, then it is not possible to send them to school.
Sources said that on Sunday morning, Ifrat Zahar Ilma, a third-grade student, and Tazkiratul Tahiya, a fourth-grade student, were taken from the school along with Alifa. A burqa-clad woman, introducing herself as 'aunt', took the three of them to the embankment area, about a kilometer away from the school. She later handed them over to 8 women. Three children were beaten there. The fourth-grade student bit a member of the Tazkiratul Tahiya gang and fled. Later, local people rescued the others.
The students said that the burqa-clad woman told them, "I'm your aunt. Your mother is asking you to come home with me." When they told her they didn't know the woman, she scolded them, saying, "Hey, don't talk too much. If you say anything, I'll kill you."
Tazkiratul Tahiya's father, Md. Akbar, is an assistant teacher at Nurpur Government Primary School in the upazila. He said on Monday, "My daughter has been in extreme fear since the incident. I could not convince her to send her to school today."
On the same day, Jhumur Akhter, a second-grade student, was forcibly taken from Kulikunda North Government Primary School in the upazila's Sadar. When she continued to scream, the gang members left her in an abandoned house about a kilometer away from the school and fled.
On February 25, Md. Swadhin Mia, a fifth-grade student of Nasirpur Government Primary School in Sadar Union, went missing. His father Md. Abdu Mia informed the Nasirnagar police station about the matter. Later, on February 27, the child was rescued from Ashuganj ferry ghat. Abdu Mia says that Jin is behind it. However, the locals suspect the same gang behind Swadhin's disappearance.
On February 22, members of the gang attacked the Bholauk Government Primary School in Burishwar Union of the upazila. While classes were in progress, a woman introduced herself as 'aunt' and took out second grade student Achma Akhter and fourth grade student Jannat Akhter. When they tried to take them out of the school yard, the children screamed. At that time, the miscreants pressed their faces and beat them and ran away with gold ornaments from their bodies.
Sources said that on February 10, students of Shishu Kanan Kindergarten in the Upazila Sadar were returning home. Five women wearing burqas blocked their path. A woman told a second-grade student, "Come home with me. I will be your aunt." But the child ran away without recognizing her. A passerby saw the police forcefully taking the three children with her into a car. Although he saved the child, the gang members fled.
As news of these incidents spread on social media, panic has arisen among children and parents. The number of students attending schools has decreased. Many parents do not want to send their children to school. They say that despite the news of several incidents in the past 25 days, the upazila administration and police have not been able to arrest anyone. This is why they are panicking. However, the police have advised school authorities and parents not to panic.
Chhayedul Haque, headmaster of Chatipara Government Primary School, said, "We are very concerned about the issue." He does not understand how to find a solution to this problem. So he will discuss it with the parents.
Gokarna UP Chairman Syed Shaheen said he has learned that 4-5 women went to the house of second grade student Nusrat Jahan Alifa on Sunday to seek help. They tactfully found out the names of the children from the family members. Later, they went to the school and called the three by name and took them out.
The public representative believes that a gang from Dharmandal Union of the upazila is involved in these incidents. It has been reported that some people from that union are involved in various criminal incidents across the country. He fears that if the administration does not take strict action soon, the gang may traffic children from the area.
Upazila Education Officer Md. Iqbal Mia learned about the matter from the guardians and head teachers of some of the affected students. He is unable to understand the real purpose of it. They have advised all teachers to be careful in this regard.

Nasirnagar Police Station Officer-in-Charge (OC) Md. Sohag Rana said that they have received several verbal complaints. Several police teams are working on the field taking the matter into consideration.
Upazila Executive Officer (UNO) Mohammad Imranul Haque said that he will discuss the matter with the Upazila Education Officer, headmasters of 126 primary schools and parents to take action in this regard. He advised parents to be alert and not panic.




The excitement of Suarez's 'important' goal

2০১৪ বিশ্বকাপের পর বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া লুইস সুয়ারেজ কাতালানদের জার্সি গায়ে অষ্টম গোল পেলেন রোববার রাতে। এবং এই গোলটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। হওয়ারই কথা। ‘এল ক্লাসিকো’তে জয়সূচক গোল গুরুত্বপূর্ণ তো হবেই। এই গোলে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে বার্সার লা লিগার শিরোপা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল

১-১ সমতায় প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর ৫৬ মিনিটে সুয়ারেজের গোলটা ছিল দুর্দান্ত। দানি আলভেসের লং বল ধরে, গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা দুই ডিফেন্ডার পেপে ও সার্জিও রামোসকে বোকা বানিয়ে কোনাকুনি শটে গোল করেন উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার। ডান দিকে ঝাঁপ দিলেও কিছুই করতে পারেননি ক্যাসিয়াস।

ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত সুয়ারেজ বলেছেন, ‘বার্সার হয়ে এটাই আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোল। প্রতিপক্ষের কথা চিন্তা করলে এই গোলের মাহাত্ম্যই আলাদা। আমি রিয়ালের ডিফেন্ডারদের মধ্যে থাকা ফাঁকা জায়গার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম, তারা যেন আমাকে বাধা দেওয়ার মতো সময় না পায়। আমার সৌভাগ্য, সেই চেষ্টা কাজে লেগেছে।’

বার্সেলোনার কোচ লুইস এনরিকে এমন গোল দেখে মুগ্ধ। সুয়ারেজের প্রশংসা করে তাঁর মন্তব্য, ‘এমন গোল খুব কম খেলোয়াড়ই করতে পারে। এ জন্যই আমরা তাঁকে (সুয়ারেজ) দলে নিয়েছিলাম। তাঁর মতো খেলোয়াড় দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমরা এভাবেই তাঁকে মূল্যায়ন করি। এখানে আসার পর থেকে পারফরম্যান্স, দলের প্রতি দায়বদ্ধতা সবকিছু মিলে তাঁকে নিয়ে আমরা খুব খুশি।’
‘এল ক্লাসিকো’তে এই জয় লা লিগার শিরোপা ফিরে পাওয়ার পথে এগিয়ে দিয়েছে বার্সেলোনাকে। ২৮ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বার্সা। সমান ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের অবস্থান দ্বিতীয়। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর আর ১০টি করে ম্যাচ বাকি।



71,000 children participated in the final of the National Maths Festival, 85 winners

এবারের গণিত উৎসবে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে প্রায় ৭১ হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘অনলাইন বাছাই অলিম্পিয়াড’। নির্বাচিতদের নিয়ে ১৮টি শহরে হয় ‘আঞ্চলিক গণিত উৎসব’। আঞ্চলিকের বিজয়ীরা জড়ো হয়েছিল রাজধানীর সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল প্রাঙ্গণে। পরীক্ষার পাশাপাশি নানা আয়োজনে শিক্ষার্থীরা মেতে ছিল। শেষে চূড়ান্ত হয় জাতীয় গণিত উৎসবের ৮৫ বিজয়ী।

‘ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসব ২০২৪’-এর দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্বের সমাপনী ছিল আজ শনিবার। সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী ১ হাজার ৩৫০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়৷ ‘গণিত শেখো, স্বপ্ন দেখো’ স্লোগান সামনে রেখে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি ২২তম বারের মতো এ উৎসবের আয়োজন করে।




ইসরাইলকে নিষেধাজ্ঞা দিতে চায় কানাডা

 

যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরের চরমপন্থি ও সংঘাতে উসকানিদাতা ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চায় কানাডা। স্থানীয় সময় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো।

অন্টারিও প্রদেশের ওয়াটারলু শহরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাস্টিন ট্রুডো বলেন, কানাডা পশ্চিম তীর অঞ্চলে সহিংসতার অবসান চায়। এজন্য এ পদক্ষেপটি আমাদের বিবেচনাধীনে রয়েছে। মূলত জর্ডান নদীর পশ্চিমাংশের ৫ হাজার ৬৫৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ভূখণ্ডটি ‘পশ্চিম তীর’ নামে পরিচিত।
নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে গত ৭৫ বছর ধরে ফিলিস্তিনের জনগণ যে আন্দোলন সংগ্রাম করছেন, সেই রাষ্ট্রের রূপরেখার মূল অংশে রয়েছে এই ভূখণ্ডটি। তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখল করে ইসরাইল। পরে সেখানকার বিভিন্ন শহর-গ্রামে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের পাঠানো শুরু করে দেশটি।
দখলকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার অভিযোগে সেখানকার অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারী চার ইসরাইলির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিতে অনুমোদন দিয়ে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিম তীরে সহিংসতা ‘অসহনীয় পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় ওই চার ইসরাইলি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সম্পত্তি ও দেশটির আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে যে চার ইসরাইলি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।



Medical college admission test results released

 

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৩৬৯ জন। পাস করেছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন। পাসের হার ৪৭.৮৩ শতাংশ।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০টি আসনে এবং ৬৭টি অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৬ হাজার ২৯৫টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
‘বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল’ কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার শর্তানুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ যোগ করে অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী ৫৩৮০ জন পরীক্ষার্থীকে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মেধা কোটায় ৫ হাজার ৭২ জন, ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৫৬৯ জন এবং পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত আসনের ৩৯ জন নির্বাচিত হয়েছেন।